শামীম সারা দিন এত ব্যস্ত ছিল যে সে কাঁদতে ভুলে গিয়েছিল। শায়ন্তীকে কবরে শোয়ানো হয়েছে আসরের নামাজের পর। তার পরেও অনেকক্ষণ তারা কবরস্থানে ছিল। রূপাকে সেখান থেকে বাড়িতে আনা যাচ্ছিল না। তারা অবশেষে বাড়ি ফিরেছে মাগরিবের পর। রাত নয়টার দিকে ড্রয়িংরুমে এশার নামাজে দাঁড়িয়ে শামীম আর কান্না ধরে রাখতে পারল না। রূপা তখনো বেডরুমে তসবিহ হাতে বসে কাঁদছে। ঝাড়া কয়েক মিনিট কাঁদল শামীম। তার কান্নায় ব্যাঘাত ঘটাল একটা…
সূত্র: প্রথম আলোমূল সংবাদ পড়ুন ↗
এটি সংক্ষিপ্ত সারাংশ। বিস্তারিত ও মূল স্বত্ব সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের।
